অনলাইনে ইনকাম

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়


অনলাইন ইনকাম এর পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। 

আসসালামু আলাইকুম,  প্রিয় ভিজিটর। আপনি কি জানেন?  বর্তমানে আমাদের দেশের লাখ লাখ মানুষ অনলাইন থেকে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতেছে!।  Online Income এর উপর এখন অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করতেছে। আপনিও যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান তবে আজকের লেখাটি আপনার জন্যই।

এই লেখাটি কাদের জন্য ?

 

অনলাইন ইনকাম নিয়ে আজকের এই লেখাটি সবার জন্য নয়! আজকের এই লেখাটি শুধুই তাদের জন্য।  যারা সত্যিই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান।  যারা কঠর পরিশ্রমী। যারা অল্পতেই ভেঙ্গে পরে না। প্রচুর ধৈর্য্য শক্তি যাদের আছে তারাই আজকের লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেন।

 

এই লেখাটি কাদের জন্য নয়?

 

এই লেখাটি তাদের জন্য না।  যারা অলস,  যারা অল্পতে হেরে যায়।  যারা বিশ্বাস করে অনলাইন থেকে কনো পরিশ্রম ছাড়াই দু একটা ক্লিক করে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায়।  অনলাইনে ইনকাম এর শর্ট কার্ট রাস্তা যারা খুজেন তারা আজকের এই লেখা পড়ে কনো উপকৃত হবেন না।  বরং সময় নষ্ট হবে।

 

সূচিপত্র

অনলাইন ইনকাম ২০২২ / Online Income 2022:

 

আপনি হয়তো জেনে গেছেন আপনার আশেপাশেই অনেকেই ঘরে বসে অনলাইন থেকে খুব ভালো পরিমান ইনকাম করতেছে। কিন্তু কিভাবে কি করে ইনকাম করে সেটা আপনি জানতে পারছেন না। আপনি জানতে চাইলেও আপনাকে জানানো হচ্ছে  না।

ইনকাম বা টাকা এমনি এমনি আসে না। ইনকাম বা টাকার সাথে পরিশ্রম জরিত।  পরিশ্রম ছাড়া কনোভাবেই আপনি অন্যের পকেটের টাকা নিজের পেকেটে আনতে পারবেন না। আপনি যদি চুরি বাটপারি!   করেও টাকা আয় করেন সেখানেও কিন্তু পরিশ্রম আছে।

ঠিক অনলাইন থেকে ইনকাম করতেও আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। আপনাকে কাজ জানতে হবে।  আমি শুধু কম্পিউটার নিয়ে অনলাইনে বসে থাকলেই কিন্তু আপনার পকেটে ডলার আসবে না। আপনাকে কাজ করতে হবে।  আর কাজ করতে হলে কাজ শিখতে হবে। নির্দিষ্ট কাজে সুপার এক্সপার্ট হতে হবে।

 

এখন কথা হলো কোন কাজটি শিখবেন?  কি কি কাজ করে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম  করা যায়?  কোন কাজের চাহিদা কেমন?  তো চলুন জেনে নেই অনলাইন ইনকাম এর জন্য এমন কয়েকটি কাজ।  যে কাজগুলো শিখলে আপনি ঘরে বসেই অনলাইন থেকে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

ব্লগিং করে আয় 

 

ব্লগিং করে আয় করার পদ্ধতি টা খুবই সুন্দর এবং কাযর্কর পদ্ধতি।  ব্লগিং করে অনেকেই মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতেছে অনলাইন থেকে।

ব্লগিং কি? 

 

এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে ব্লগিং টা আবার কি?  অসলেই যারা ব্লগিং কি সেটা জানেন না। তাদের জন্য সহজ ভাষায় বলতে গেলে ব্লগিং হলো পত্রিকা / ম্যাগাজিনের মত। পত্রিকা / ম্যাগাজিন/ বই পুস্তকে যেমন বিভিন্ন বিষয়ে লেখা পড়েন। ঠিক তেমনি অনলাইনেও আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় গুলা যেখান থেকে পড়েন সেটাই মুলত ব্লগ।

এই যেমন এখন আপনি “অনলাইন ইনকাম” লিখে সার্চ করেছেন।  আর আমার এই লেখাটি পড়তেছেন। এটাই মুলত ব্লগিং।  আপনি যে বিষয়ে ভালো ধারনা রাখেন সেই বিষয় নিয়ে লেখালেখি করবেন। যাদের সেই বিষয়ে জানা দরকার তারা এসে পড়বে।

ব্লগিং করে ইনকাম করার উপায় 

 

ব্লগিং কি সেটা তো বুঝলেন।  এখন মনে হয়তো আরেকটি প্রশ্ন উকি দিয়েছে। ব্লগিং করে কিভাবে ইনকাম করা যায়?

আপনি আবার পত্রিকার দিকে তাকান।  পত্রিকা পড়ার সময় যেমন বিভিন্ন বিজ্ঞাপন লক্ষ্য করেন। যার বিনিময়ে পত্রিকা কতৃপক্ষ টাকা পায়। ঠিক তেমনে ব্লগ সাইটগুলোতেও আপনি বিজ্ঞাপন লক্ষ্য করে থাকবেন। মুলত এই বিজ্ঞাপন থেকেই আপনার ইনকাম আসবে। আপনি একটি ব্লগ সাইট বানাবেন। সেই ব্লগ সাইটে বিজ্ঞাপণ দেখানোর জন্য গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল করবেন।

 

ব্লগিং করে ইনকাম করতে যা যা লাগবে।

 

ব্লগিং করে ইনকাম করা যায়, শুনেই যদি কম্পিউটার নিয়ে বসে পরেন। তাহলে কিন্তু কিছুই হবে না।  কাজ শুরু করতে হবে প্লানিং করে। নিচে আমি একটি লিষ্ট দিলাম দেখে নিবেন

  • একটি ওয়েব সাইট লাগবে। হোক সেটা ব্লাগারে তৈরী ফ্রি সাইট। তবে আমার পরামর্শ থাকবে একটা কাস্টম ডোমেইন কিনে সাইট তৈরী করা।  আরো ভালো হয় যদি ডোমেইন + হোস্টিং কিনে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট বানানো।

 

  • সাইটে নিয়মিত কন্টেন্ট পাবলিশড করা।  শুধু ওয়েবসাইট বানালেই কিন্তু ইনকাম আসবে না।  এরজন্য আপনাকে নিত্যনতুন পোষ্ট করতে হবে সাইটে। পাঠক কি ধরনের লেখা চায়।  পাঠকের চাহিদক মাফিক লেখা পাবলিশড করতে হবে।

 

  • এসইও ( Seo ) করতে হবে। ব্লগিং এ সফল হবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো Seo ( সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ) আপনি সুন্দর ডিজাইনের সাইট বানাইলেন। হাজার হাজার শব্দের কন্টেন্ট লিখলেন। কিন্তু মানুষ আপনার সাইটে আসে না। কেন আসে না?  কারন হলো আপনি আপনার সাইটে Seo করেন নি। ভিজিটর গুগলে সার্চ করে আপনার সাইট খুঁজে পায় না। কাজেই ব্লগিং থেকে ভালো পরিমাণ ইনকাম করতে হলে। আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে। আপনি যে বিষয়ে লিখেন।  সে বিষয়ে গুগলে  লোকজন সার্চ করে যেনো আপনার সাইট পায়। তাহলেই আপনি ব্লগিং এ সফল হতে পারবেন।

মোটামুটি এই তিনটি অপশন ঠিক রেখে ব্লগিং করলে আশা করছি আপনি ব্লগিং থেকে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

ফ্রিলান্সিং করে অনলাইন  ইনকামঃ

 

আপনার যদি ব্লগিং ভালো না লাগে। লেখা লেখি Seo এসবের প্যারা না নিতে চান।  তবে আপনি ফ্রিলান্সিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারেন। মজার ব্যাপার হলো অনলাইন থেকে যারা ইনকাম করেন।  তাদের প্রায় ৭০% মানুষ ফ্রিলান্সিং করে আয় করে থাকেন।

ফ্রিলান্সিং কি ? 

 

এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে ফ্রিলান্সিং কি?  ফ্রিলান্সিং হলো মুক্ত পেশা। আপনি ঘরে বসেই যেকোন দেশের যে কারো কাজ করে দিতে পারেন।

 

ফ্রিলান্সিং করার জন্য কি কি লাগবে ? 

 

আপনি চাইলেই ফ্রিলান্সার হতে পারবেন না। সফল ফ্রিলান্সার হতে হলে আপনাকে যে কনো কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।  হোক সেটা গ্রাফিক্স ডিজাইন,  ওয়েব ডিজাইন / ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটং ইত্যাদি। অনলাইনে পাওয়া যায় এরকম যেকোন কাজেই আপনি দক্ষতা অর্জন করলে আপনি প্রচুর কাজ পাবেন।

আমার পরিচিত একজন আছে যিনি শুধু গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে কাজ করে।  বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট।  কিন্তু তার মাসিক ইনকাম এখন  ১০০০   ডলার।   যদিও ইনকাম টা অনন্য বড় বড় ফ্রিল্যান্সারদের থেকে অনেক কম।  কিন্তু ওর বয়স হিসেবে, কাজ হিসেবে, ও  অনেক ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করে অনলাইন থেকে।

 

আমার এক বন্ধু আছে সে ওয়ার্ডপ্রেস  ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করে।  সেও ভালো পরিমাণ ইনকাম করে।  আসলে মূলত  ইনকাম করতে হলে আপনার কাজের ওপর দক্ষতা থাকতে হবে।  এই যেমন ধরুন আপনার একটা প্রতিষ্ঠান আছে আপনি সেখানে কর্মী নিয়োগ দেবেন।  তো আপনি এমন কাউকে নিয়োগ দেবেন না।  যে কিনা আপনার প্রতিষ্ঠান যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলো সে করতে পারে না।

 

আপনি এরকম কাউকে নিয়োগ দিয়ে কিন্তু তাকে বেতন দেবেন না ঠিক।  তেমনি অনলাইনেও আপনাকে কেউ হেয়ার করবেনা।   যদি না আপনি কাজ না পারেন।  আপনি যদি কাজ করেন তাহলে আপনাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে  হায়ার করা হবে।  আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন পারেন তাহলে আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের যারা কাজ করায়  তারা হায়ার করবে।  আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন ডেভলপমেন্ট পারেন তাহলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যার ওয়েবসাইট ডিজাইন দরকার যার ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট দরকার সে আপনাকে খুঁজবে।

 

এইভাবে অনলাইনে আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।  যদি আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনি ঘরে বেশি ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আরেকটি কথা সেটা না বললেই নয়।  ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতা অর্জন করতে হলে আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।  আপনি যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা দেখাতে পারেন। আপনি বাইরের লোকদের সাথে ইংরেজিতে কমিউনিকেশন করতে পারেন।  তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং করাটা সহজ হবে।

 

আমি বলছি না যে ইংরেজি না জানলেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন না এমনটি না।  কিন্তু যদি আপনি ইংরেজি জানেন তাহলে আপনার কাজের গতি টা বেড়ে যাবে।  আপনার কাজটা ভাল ভাবে করতে পারবেন।  ক্লায়েন্টের কাজ গুলো আপনি সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে নিতে পারবেন।  তাঁকে কাজ গুলো বুঝিয়ে দিতে পারবেন।

 

যেকোন সমস্যায় আপনি তার সাথে ভালো ভাবে আলোচনা করে সমস্যাটা সমাধান করে দিতে পারবেন।  মোটকথা কমিউনিকেশন ল্যাংগুয়েজটা যদি আপনার ভাল হয় তাহলে আপনি ওই কাজটা খুব সহজ ভাবে দ্রুততার সাথে করতে পারবেন।  ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসতে হলে আপনার বিষয়টা মাথায় রাখা অতি জরুরী ।

 

ইউটিউব থেকে আয়ঃ

 

ইউটিউব সমন্ধে জানে না,  বা ইউটিউব ভিডিও দেখে না এমন কেউ কি আপনার আশেপাশে আছে??  অবশ্যই নেই।  যাদের হাতে স্মার্টফোন আছে তারা সবাই কম বেশী ইউটিউবে গিয়ে ভিডিও দেখেই।

আপনি কি জানেন ?  এই ইউটিউব থেকেই আপনি মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন? বাংলাদেশের এমন অনেক ইউটিউবার আছে যাদের মাসিক ইনকাম ৫০ লাখ বা তারও বেশী টাকা।

আপনিও পারবেন যদি আপনি সাহস করে শুরু করেন । ইউটিউবিং শুরু করতে বেশি টাকা ইনভেস্ট করতে হবে না।  আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়েই আপনি ইউটিউবং শুরু করতে পারবেন।

 

এর জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে।  আর ইউটিউব চ্যানেল খোলা একদমই সহজ।  তারপরও যদি আপনি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে না পারেন তাহলে আপনি নিচে দেওয়া   এই ভিডিওটা দেখতে পারেন।  আপনি এটা দেখে ইউটিউব চ্যানেল খুলে ফেলবেন এরপর আপনার কাজ হবে আপনার হাতে থাকা ফোনটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও বানানো।

 

আপনি মূলত যে বিষয়ে বেশী  ইন্টারেস্টিং।  যে বিষয়টা আপনার ভালো লাগে সেই বিষয়ে আপনি ভিডিও বানানো শুরু করবেন।  যেমন ধরুন কারো ভ্রমণ ভালো লাগে সে বিভিন্ন ভ্রমণ রিলেটেড ভিডিও বানাতে পারেন। সে  যেসব জায়গায় ভ্রমণ করে সেই সব জায়গার ভিডিও ধারণ করে পাবলিশড করতে  পারে।  অথবা কারো মাছ শিকারে অনেক বেশি ভালো লাগে সে মাছ শিকারের বিভিন্ন ভিডিও নিয়ে চ্যানেল বানাতে পারে।  তো মূলত ইউটিউবে ভিডিও ছাড়া এবং সেই ভিডিওতে ভিউ হলেই আপনার ইনকাম আসা শুরু করবে।  আপনার ইউটিউবে যখন ১০০০ জন সাবস্ক্রাইব করবে এবং আপনার ভিডিও ৪০০০ ঘন্টা দেখা হবে,  আপনি তখন চ্যানেলটি এডসেন্স দিয়ে  মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।  সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে গুগল আপনাকে মনিটাইজেশন দেবে আর এরপর থেকে আপনার ইনকাম শুরু হবে

 

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়মঃ

ইউটিউবে কত ভিউ এ কত টাকা ?  

 

ইউটিউব নিয়ে বা ইউটিউব ইনকাম নিয়ে এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন যে,  ইউটিউবে কত হাজার ভিউ হলে কত টাকা পাওয়া যায় ?  আসলে ভাই এখানে ভিউ এর উপর মূলত টাকা নির্ভর করে না।  ইনকাম মূলত নির্ভর করে আপনার ভিডিও কোন লোকেশন থেকে দেখা হচ্ছে।  কোন দেশের লোকজন আপনার ভিডিওটি দেখে।  আপনার ভিডিওগুলো  কি বিষয়ের উপর নির্মাণ করা।  এইসব বিষয়ের উপর আপনার ইনকাম নির্ভর করে।

 

অনেক চ্যানেল আছে যেখানে ১০০০ ভিউতে দৈনিক ১০  ডলার ইনকাম হচ্ছে।  আবার এমন চ্যানেল আছ যেখানে দৈনিক ১০০০০ ভিউতেও ১০ ডলার ইনকাম হচ্ছে না।  এর কারণ হলো সিপিসি।   যেমন ধরুন আমি ভিডিও বানাচ্ছি ইন্সুরেন্স লোন এডুকেশন নিয়ে এক্ষেত্রে আমার ইনকামটা বেশি হবে।   কারণ গুগলে ইন্সুরেন্স নিয়ে এড গুলো বেশি পরিমাণ টাকা পে  করে  থাকে।  মূলত এই কারণেই আপনার যদি ইন্সুরেন্স টাইপের কোন ভিডিও থাকে তাহলে আপনার ইনকাম বেশি হবে৷ আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এরপরও যদি না বুঝেন তাহলে আপনাকে আমি একটি লেখারসা জেস্ট করতেছি সে লেখাটি পড়ে আসবেন।

পড়ুন – এডসেন্স ইনকাম বাড়ানোর উপায় 

 

ওয়েবসাইট বানিয়ে অনলাইন ইনকামঃ

 

আপনি যদি একজন ওয়েবসাইট ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হন।   তাহলে আপনি অনলাইন থেকে এই ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট করেই ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  সেইসাথে আপনি যদি এসইও জানেন।  তাহলে আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভলপমেন্ট করে সেই সাইটে  প্রচুর পরিমান ভিজিটর এনে  আপনি সে সাইট টা সেল করতে পারেন।  অথবা আপনি সেই ওয়েবসাইট দিয়ে নিজে ইনকাম করতে পারেন।  আমি ইতিপূর্বে আলোচনা করেছি ব্লগিং করে ইনকামের কথা।  মূলত আপনি যদি ব্লগিং করে স্থায়ীভাবে ইনকাম করতে না চান তাহলে একটি সাইট বানিয়ে সেটাতে অ্যাডসেন্স এপ্রুভড  করে  সেল করতে পারেন।

ওয়েবসাইট বানিয়ে আয়

অথবা আপনি চাইলে শুধু ফ্রেশ সাইট বানিয়ে সেল করতে পারেন।  অথবা পৃথিবীতে অনেক মানুষ প্রত্যেকদিন ওয়েবসাইট তৈরি করছেন।  সবাই তো আর কোডিং জানে না।  সবাই তো আর ওয়েবসাইট বানাতে পারে না।  তো আপনি যদি ওয়েবসাইট বানানো শিখেন।  আপনি যদি ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট শিখেন।  তাহলে এই যে যারা ওয়েবসাইট বানানো পারেনা, কিন্তু তাদের ওয়েবসাইট দরকার আপনি তাদের কাছে ওয়েবসাইট বানিয়ে সেল করতে পারেন।  তাদের থেকে অর্ডার নিয়ে তাদের চাহিদা মাফিক আপনি ওয়েবসাইট বানিয়ে দিতে পারেন।  দুই ভাবে মূলত আপনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে   ইনকাম করতে পারেন।

 

ওয়েবসাইট বানালেন কিন্তু সেল হচ্ছে না।   বা কোথায় সেল করবেন  বুঝতেছে না।  আপনার যদি ভালো একটা ওয়েবসাইট থাকে।  আপনি যদি সেল করতে  চান  তাহলে আমাকে নক দিয়েন।  আমাদের কমেন্ট কইরেন।  আমরা ইনশাআল্লাহ আপনার ওয়েবসাইটটি সেল করার ব্যবস্থা করে দেব।

 

এছাড়াও আপনি চাইলে ইন্টার্নেশনাল ওয়েবসাইট বিক্রির মার্কেটপ্লেস  ফ্লিপা তে আপনার সাইটটি লিস্টিং করতে পারেন।  এক্ষেত্রে আপনার সাইটটি সেল হবে আন্তর্জাতিক বাজারে খুব ভালো দামে।

 

ড্রপশিপিং করে অনলাইন থেকে ইনকাম। 

 

ড্রপশপিং করে ইনকাম বর্তমানে একটি জনপ্রিয় অনলাইন ইনকাম পদ্ধতি। মূলত এটা একটি বিজনেস । অন্যের উৎপাদিত পণ্য আপনি তার থেকে কিনে আপনার মাধ্যমে বিক্রি করা টাই মূলত ড্রপ শিপিং।

উদাহরণ দিলে বিষয়টি সহজ হবে।  যেমন ধরুন আপনি একজন ব্যবসায়ী গ্রামে বেগুনের দাম ১০  টাকা কেজি।  আর শহরে বেগুনের দাম ৪০  টাকা কেজি।  তো আপনি গ্রাম থেকে ১০  টাকা কেজি বেগুন কিনে শহরে এনে ৪০  টাকা কেজি বিক্রি করলেন।  এটাই  অনলাইনে  ড্রপশিপিং নামে পরিচিত।  এখানে কিন্তু প্রচুর লাভ ১০ টাকা দিয়ে কিনে ৩০ টাকা ৪০ টাকা ৫০ টাকা বিক্রি!  তিন গুণ ৪ গুন লাভ।  ঠিক তেমনই অনলাইনে ও আপনি এরকম বিজনেস করতে পারবেন

আপনি অন্যের উৎপাদিত পন্য কিনে। সেটা অনলাইনে বড় বড় ই-কমার্স সাইটে নিজের স্টোর খুলে সেল করে ইনকাম করতে পারবেন।

অথবা আপনি যদি চান নিজেই একটি ই-কমার্স সাইট খুলে ব্যাবসা করবো সেটাও পারবেন। কাজেই আপনি চাইলে ড্রপশিপিং করেও আপনার ইনকাম বাড়াতে পারবেন।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম।

 

বর্তমানে বাংলাদেশে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন  ইনকাম এর ট্রেন্ড চলছে।  আন লিমিটেড ইনকাম করতে চাইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং বেষ্ট চয়েস।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? 

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যের পণ্য প্রচার করে সেই পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা এবং সেখান থেকে কিছু কমিশন পাওয়া।

যেমন ধরুন আমার একটি অনলাইন বইয়ের দোকান আছে।  সেখানে আমি সব ধরনের বই বিক্রি করে থাকি।  তো আপনি আমার অনলাইন শপের যেকোনো বই আপনার ফেসবুক প্রোফাইল, আপনার ওয়েবসাইট, বা যে কোন মাধ্যমে আপনি আমার অনলাইন সব থেকে নেওয়া যেকোনো একটি বই বিক্রির জন্য  প্রচার শুরু করলেন।

 

এখন যদি  আপনার প্রচার করা মাধ্যমে যে কেউ যদি আমার অনলাইন শপের বইটি কেউ কিনে নেয়,  তাহলে আপনি  নির্দিষ্ট কিছু  কমিশন পাবেন।  যেমন ধরুন আমি যদি বলে দেই যে আমার বইয়ের মূল্য যদি একশ টাকা হয় আপনার প্রচার মাধ্যম থেকে বিক্রি হলে আপনাকে আমি ৫%  কমিশন দেবো।  এভাবে আপনি যত পরিমাণ বই বিক্রি করতে পারবেন তত পরিমাণ আপনার কমিশন ইনকাম হবে তো এটাই মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মূল ধারণা।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে কি কি লাগবে

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে আপনার কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।  যেরকম আপনার প্রচার মাধ্যম লাগবে।  আপনি প্রোডাক্ট মানুষজনের কাছে কি মাধ্যমে প্রচার করবেন?   আপনি কি সবার বাসায় গিয়ে সবার কাছে গিয়ে মুখোমুখি প্রচার করবেন?  অবশ্যই না, যেহেতু আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাচ্ছেন সেহেতু আপনার অনলাইনেই একটি শক্ত প্রচার মাধ্যম থাকা দরকার।  সেটা হতে পারে আপনার একটা ফেসবুক পেজ, হতে পারে আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল, হতে পারে একটি ওয়েবসাইট।

 

এই প্রচার মাধ্যমগুলোর যেকোনো একটা  আপনার থাকলে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন। তবে এখানে আরেকটি কথা না বললেই নয়, সেটা হল আপনার ফেসবুক পেজ আছে, আপনার ইউটিউব চ্যানেল আছে, আপনার ওয়েবসাইট আছে। কিন্তু আপনার ইউটিউব চ্যানেলে, আপনার ফেসবুক পেজে আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর নেই ।  কেউ আপনার ওয়েবসাইট, আপনার পেজ আপনার ইউটিউব চ্যানেল দেখে না।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন ইনকাম

তাহলে কিন্তু আপনার এই প্রচার মাধ্যম দিয়ে আপনার কোন লাভ নাই।  প্রথম কাজ হবে আপনার একটি ওয়েবসাইট, একটি ফেসবুক  পেজ, বা ইউটিউব চ্যানেল জোগাড় করতে হবে।  এবং সেখানে কোয়ালিটিফুল কন্টেন্ট পাবলিস্ট করতে হবে।  এবং সেই কন্টেন্ট কে  এসইও করে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে ভিজিটর আনতে হবে।  এর পরে আপনি সেই প্লাটফর্মে আপনি বিভিন্ন প্রোডাক্টের এফিলিয়েট লিংক প্রচার করতে পারেন। এবং আপনার লিংক থেকে যদি কেউ পণ্য কেনে তাহলে আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করা যায়?  

 

হ্যাঁ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করা যায় এই প্রশ্নটা একটি কমন প্রশ্ন।

এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো আপনি কত পরিমাণ প্রোডাক্ট সেল করতেছেন এবং সেই প্রোডাক্ট গুলোর কমিশন কত পার্সেন্ট তার উপর নির্ভর করে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করতে পারবেন।  বাংলাদেশের অনেকেই আছে যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে মাসে কোটি টাকা অনলাইন ইনকাম করতেছেন।

 

আবার এমনও আফিলিয়েট মার্কেটার  বাংলাদেশে আছেন যারা অ্যাফিলিয়েট করে ডোমেইন হোস্টিং এর দাম পরিশোধ করতে পারেনা!  তাহলে আপনি ভাবুন যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম মূলত কিসের উপর নির্ভর করে।  আপনার প্রচারমাধ্যম শক্ত হতে হবে আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্টের কমিশন ভালো হতে হবে সব যদি ভাল হয় তাহলে আশা করা যায় আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম হবে।

অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকাম 

 

আমরা প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে বসে বিভিন্ন ভিডিও দেখি। আপনি কি জানেন অনলাইনে ভিডিও দেখার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়।  বিষয়টি অনেকেই হয়তো জানেন অনেকেই কাজ করেন।  কিন্তু যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি।  অনলাইনে ভিডিও দেখে সত্যিই ইনকাম করা যায়।  বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে সেখানে আপনি একটি ভিডিও দেখার বিনিময় টাকা পেতে পারেন।এরকম কিছু ওয়েবসাইট এর নাম আমি নিচে দিয়ে দিলাম।

  1. Work Up Job
  2. Micro Workers
  3. Pico Workers
  4. Seo – Fast
  5. Rapid Workers
  6. Proven Expart

এরকম আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে আপনি একাউন্ট করে সেখানে আপনি ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারেন।  এসব সাইটে ভিডিও দেখা ছাড়াও আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিজিট করার মাধ্যমে, ক্লিক করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।  তবে সাবধান এ রকম আরো অনেক সাইট আছে যেগুলো এরকম দেখতে একই রকম হলেও  আপনাকে দিয়ে কাজ করাবে কিন্তু তারা আপনাকে পেমেন্ট দেবে না।  তাই যে কোনো ওয়েবসাইটে কাজ করার আগে আপনি একটু সেই ওয়েবসাইট সমন্ধে  ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে এরপর কাজ শুরু করবেন।নয়তো কাজ করবেন ঠিকই কিন্তু পকেটে টাকা আসবে না।

 

অনলাইনে পড়িয়ে ইনকামঃ

 

অফলাইনে আপনার ছাত্র পড়ানোর অভিজ্ঞতা আছে?  আপনি বাংলা, ইংরেজি, অংক, আরবী, হিসাববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, যে সাবজেক্ট এর উপরেই  দক্ষ হোন না কেন৷  আপনি সেই সাবজেক্ট  অনলাইনে আপনি ছাত্রদের পড়াতে পারেন। আর এভাবে আপনি অনলাইনে আনলিমিটেড স্টুডেন্টকে একসাথে শিক্ষা দিতে পারেন।  এতে করে আপনার ইনকাম অফলাইনের চেয়ে অনেক বেশি হবে।

 

আপনি শিক্ষক না, আপনি ওয়েব ডিজাইন পারেন।  আপনি ওয়েব ডেভলপমেন্ট পারেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন পারেন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং পারেন, আপনি এই বিষয়গুলোর উপরে অনলাইনে ট্রেনিং দিতে  পারেন। আপনি একজন মাদ্রাসায় পড়ুয়া মানুষ আপনি। একজন হাফেজ সাহেব। আপনি চাইলে অনলাইনে মানুষকে কোরআন শিক্ষা দিয়ে ইনকাম করতে পারেন।  মূলত আপনি যে বিষয়ে দক্ষ আপনি সেই বিষয়ে যদি অনলাইনে পড়াতে চান সেটা সম্ভব।  আপনি অনলাইনে পড়িয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

 

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয়ঃ

 

আপনি কি ছবি তুলতে ভালোবাসেন?  আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়ে আপনি বিভিন্ন ধরনের ছবি উঠিয়ে, সেটি অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন!  কি বিশ্বাস হচ্ছে না?  অনলাইনে আপনি ছবি বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  আপনি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি সংগ্রহ করলেন বিভিন্ন পশু পাখির ছবি সংগ্রহ করলেন এবং এরপর সেটা অনলাইনে ছবি বিক্রির  বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে।

 

সেই সমস্ত ওয়েবসাইটে আপনি আপনার সংগ্রহ করা ছবিগুলো বিক্রির জন্য দিতে পারেন। ছবি বিক্রির জন্য কিছু  ওয়েবসাইটের নাম আমি নিচে দিয়ে দিলাম।।

ছবি বিক্রির ওয়েবসাইট 

১। shutterstock.com

২। dreamstime.com

৩। pond5.com

৪৷ stock.adobe.com

৫। gettyimages.com

৬। istockphoto.com

৭। stocksy.com/cta/welcome

৮। alamy.com/contributor/

 

এছাড়াও আরও অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে আপনি ছবি বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন।

 

অনলাইনে সার্ভে করে আয়

 

সার্ভে অর্থ হল ও জরিপ, আপনি বিভিন্ন জরিপে আপনার মতামত দিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।  বিভিন্ন কোম্পানি কাস্টমারদের মতামত জানার জন্য অনেক সময় সার্ভে  ক্যাম্পেইন করে থাকে।  সার্ভে করার জন্য কিছু ওয়েবসাইট আছে যেগুলোতে সে কোম্পানিগুলো কাজ দেয় এবং সে ওয়েবসাইটগুলি  কোম্পানির সার্ভে তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করে দেয়।

 

এখন আপনাকে যা করতে হবে এরকম কিছু সার্ভে  ওয়েবসাইটে আপনার অ্যাকউন্ট খুলতে হবে। এবং আপনার তথ্য দিয়ে একাউন্টটি আপডেট করতে হবে এরপর আপনার একাউন্টের সাথে মিলে এরকম এরকম সার্ভে  আসলে আপনি সেটা করতে পারবেন এবং আপনার একাউন্টে অর্থ যোগ হবে।।

জনপ্রিয় কিছু সার্ভে ওয়েবসাইট

# Viewpointpanel.com

# Opinionnow.in

# Ysense.com

# Paidviewpoints.com

# Neobux.com

# Toluna.com

# Swagbucks.com

এই সাইটগুলোতে আপনি সার্ভে করে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তবে সাবধান বর্তমানে অনলাইন অনেক ভূয়া সার্ভে ওয়েবসাইট পাওয়া যায়। যেগুলো আপনাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবে ঠিকই কিন্তু আপনাকে পেমেন্ট দে্ে না। তাই কাজ করার আগে যাচাই-বাছাই করে নিন সাইটটি নির্ভরযোগ্য কিনা

 

অনলাইনে রিসেলিং করে আয়ঃ

 

রিসেলিং বিসনেস টা মুলত এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মতই। তবে এফিলিয়েট মার্কেটিং না।

আপনি বড় কোন  রিসেলিং প্লাটফর্ম থেকে পণ্যের ছবি নিবেন। পন্যের বিস্তারিত নিয়ে।  আপনার ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেল করবেন।

এখানে আপন পন্য কম দামে কিনে একটু বেশী দামে সেল করবেন। এতে যা লাভ হবে সেটাই আপনার ইনকাম। আর এফিলিয়েট মার্কেটিংএ আপনি পন্য সেল করলে কিছু নির্দিষ্ট % কমিশন দিতো। এফিলিয়েট আর রিসেলিং এর পার্থক্য মুলত এটাই।  বাংলাদেশের জনপ্রিয় রিসেলিং প্লাটফর্ম হলো ShopUp।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে অনলাইন  ইনকামঃ

 

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন।  তাহলে আপনি অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে ইনকাম করতে পারেন  বর্তমানে বিশ্বে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা ব্যাপক।  আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একটু চোখ বুলিয়ে দেখবেন  কত পরিমান গ্রাফিক্স ডিজাইনার খোঁজা  হয়ে থাকে।  কাজেই আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। তাহলে অনলাইন থেকে আপনি শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইন করে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ পাওয়া যায় এরকম কিছু ওয়েবসাইটের নাম

 

  • 99degine.com
  • Upwork.com
  • Fiver.com
  • Freelancer.com

এছাড়াও আপনি যেকোন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসবে কাজ করতে পারেন।

 

নিজের এজেন্সি বানিয়ে অনলাইন ইনকামঃ

 

আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন পারেন। আপনার আরেক বন্ধু ওয়েব ডিজাইন পারে।আরেক বন্ধ পারে ডিজিটাল মার্কেটিং।  এভাবে আরো কয়েকজন বন্ধুর আরো কিছু স্কিল্ড আছে। আপনারা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে একটি এজেন্সি খুলতে পারেন।

এরপর সেই এজেন্সি মার্কেটিং করে ক্লায়েন্ট জোগার করে হিউজ পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

সিপিএ ( CPA )  মার্কেটিং করে ইনকাম

 

বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় এর অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যমে হলো Cpa মার্কেটিং।  বাংলাদেশের অনেক তরুণ এখন সিপিএ মার্কেটিং করে বেকারত্ব ঘুচিয়েছ। তবে Cpa মার্কেটিং করতে হলেও আপনাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে।  সব Cpa প্লাটফর্ম কিন্তু সঠিকভাবে পেমেন্ট করে না। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে এমন সব Cpa প্লাটফর্ম যেসব Cpa প্লাটফর্ম সঠিকভাবে পেমেন্ট দিয়ে থাকে। এমন কিছু Cpa প্লাটফর্ম এর লিষ্ট নিচে দিলাম

সেরা কিছু Cpa প্লাটফর্ম 

  • Clickbank
  • Cpalead
  • Cpagrip

এগুলো প্রতিষ্ঠিত Cpa প্লাটফর্ম। আপনি এইসব সিপিএ সাইটে নিশ্চিতে কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

সিপিএ মার্কেটিং কি?  ভিডিও 

 

সিপিএ মার্কেটিং সমন্ধে জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুন। অথবা ইউটিউবে সার্চ করুন “সিপিএ মার্কেটিং কি ”

 

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট

 

গুগলে অনেকেই খোঁজ করেন অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট লিখে।

হতাশার কথা হলো বাংলাদেশে এখনো তেমন মানসম্পন্ন অনলাইন ইনকাম সাইট নেই। হাতেগোনা কয়েকটি সাইট আছে যেগুলো ইনকামের সুযোগ দেয়। সেরকম কিছু সাইট নিচে দিলাম

 

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট লিষ্টঃ

 

  1. Workupjob.com
  2. 10minitschool.com
  3. Shopup.com
  4. Jit.com
  5. Delencer.com

এই সাইটগুলো থেকে আপনি এফিলিয়েট করে, সার্ভিস বিক্রি করে, প্রশ্ন উত্তর করে। পন্য রিসেলিং করে ইনকাম করতে পারবেন।

 

অনলাইন ইনকাম বিকাশ পেমেন্ট 

 

অনলাইন ইনকাম নিয়ে আজকের এই বিস্তারিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা কথা বলব।  সেটা হল অনলাইন ইনকাম বিকাশ পেমেন্ট।  অনলাইনে ইনকাম করতে আসার আগেই অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে ইনকাম তো করব ঠিক আছে, কিন্তু সেই ইনকামের টাকা আমি কিভাবে বিকাশে  আনতে পারব।  অনলাইন থেকে উপার্জিত টাকা আমি বিকাশে কিভাবে আনব বা বিকাশে আনা যাবে কিনা এরকম অনেক প্রশ্ন থাকে।

আসলে এ বিষয়ে উত্তর দেওয়াটা বেশ মুশকিল। তারপরও বলছি যে আপনি বিকাশ পেমেন্ট পাবেন ঐ সমস্ত অনলাইন ইনকাম সাইট থেকে।  যে সাইটগুলো বাংলাদেশি এডমিন দ্বারা পরিচালিত। বাংলাদেশ থেকে যারা যেসব ইনকাম সাইট  পরিচালনা করে যে সকল সাইটে কাজ করলে আপনি বিকাশ পেমেন্ট পাবেন।  যেরকম শপআপ, টেন মিনিট স্কুলে কাজ করলে আপনি বিকাশ, রকেট,নগদ পেমেন্ট পেতে পারেন।

 

যেকনো  সাইটে আপনি যখন কাজ করবেন তখন আপনি তাদের পেমেন্ট মেথড গুলো দেখবেন।  বাহিরের কোন সাইটে যদি আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে চান।  তাহলে আপনি সরাসরি বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবেন না।  আপনাকে পেপাল, পেওনিয়ার এরকম ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়ে এর মাধ্যমে  পেমেন্ট নিতে পারবেন।  এরপর সেটাকে আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে পারবেন।  যেমন কিছুদিন আগে পেওনিয়ার বিকাশ পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছে।  এক্ষেত্রে আপনি বিদেশি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে সেখান থেকে পেমেন্ট আপনি পেওনিয়ারে নিয়ে আসবেন।  এবার থেকে আপনি সরাসরি  বিকাশে উইথড্র করবেন।  এভাবে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম বিকাশ পেমেন্ট পেতে পারেন। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এরপর যদি আপনি এ বিষয়ে না বোঝেন তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করব আপনার সমস্যাগুলো সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়া।

 

কন্টেন্ট রাইটিং করে আয়ঃ

 

এতক্ষন যে সকল অনলাইন ইনকাম সিস্টেম এর কথা বললাম।  এই সবগুলো কাজের মূলে রয়েছে কনটেন্ট রাইটিং।  যার  কনটেন্ট যত ভালো তার সফলতা ততবেশি।  আপনি ব্লগিং করতে যান, কনটেন্ট লাগবে।  ইউটিউবিং করতে যান, কন্টেন্ট লাগবে।  ড্রপশিপিং  করতে যান কনটেন্ট লাগবে।  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান, কন্টেন্ট প্রয়োজন।  যার কন্টেন্ট ভালো  তার সফলতা ভালো ‌।

কন্টেন্ট রাইটিং করে অনলাইন ইনকাম

মার্কেটারদের  মধ্যে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, কন্টেন্ট  ইজ কিং!  কন্টেন্টই  সবকিছুর রাজা।  আপনার কনটেন্ট ভালো হলে আপনার সবকিছুই ভালো হবে। আর তাই আপনি যদি একজন ভাল কন্টেন্ট  রাইটার হতে পারেন তাহলে আপনার মূল্য কত হতে পারে আপনি এবার চিন্তা করুন।  আপনি একজন প্রফেশনাল মানের কন্টেন্ট  রাইটার হন।  এরপর যদি আপনি কাজ না পান তাহলে আমাকে আপনি বলবেন। আমাদের কমেন্ট সেকশনে আপনি জানাবেন। যে আপনি একজন ভাল কনটেন্ট রাইটার কিন্তু কন্টেন্ট  রাইটিং এর কাজ পাচ্ছেন না আমি আপনাকে কাজ দেবো।

ভালো পরিমাণ টাকায় আপনাকে আমি কাজ দিব।  কাজেই আপনি যদি আর কিচ্ছু না পারেন শুধু কনটেন্ট রাইটিং নিয়েও আপনি অনলাইন থেকে নিউজ পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়েঃ

 

আপনার খুব ইচ্ছা অনলাইন থেকে ইনকাম করবেন।   কিন্তু সমস্যা হলো আপনার কম্পিউটার নাই, আপনার ল্যাপটপ নাই। তবে  আপনার প্রচুর ইচ্ছা আছে অনলাইনে কিছু করার।  হ্যাঁ আপনি পারবেন! অনলাইন থেকে ইনকাম করতে হলে কম্পিউটার ল্যাপটপ এগুলো ছাড়াও ইনকাম করা যায়.  আমি এখনে আপনাদের সামনে এমন কিছু ইনকাম সিস্টেম আলোচনা করেছি যেগুলো মধ্যে বেশিরভাগই আপনি শুধুমাত্র হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন।  যেমন ধরুন ইউটিউবিং, আপনি কিন্তু চাইলে মোবাইল দিয়ে ইউটিউবিং শুরু করতে পারেন।  যদিও যাদের কম্পিউটার আছে তারা কাজটি সহজ ভাবে করতে পারবে।  আপনার একটু কষ্টটা বেশী হবে।  তবে আপনি পারবেন।

 

এর পরে ব্লগিং।  আপনি চাইলে ব্লগিং মোবাইল দিয়ে করতে পারেন।  আমি কিন্তু বেশিরভাগ কাজ করি মোবাইল দিয়েই আমার ব্লগিং এর শতকরা ৮০ ভাগ কাজ আমি মোবাইল দিয়ে করে থাকি। এবং আমার মতো আরো অনেক ব্লগার আছে।  বাংলাদেশের তরুণ ব্লগার যারা আছে, সবাই বেশিরভাগ কাজ মোবাইল দিয়ে করে থাকে।  কাজেই কম্পিউটার ল্যাপটপ এর আশায় বসে না থেকে আপনি মোবাইল দিয়েই শুরু করে দিতে পারেন।  এছাড়া আপনি কনটেন্ট রাইটিং করতে পারেন।  মোবাইল দিয়েও এই কাজটি সহজে করা যায়।  এরপরে আপনার সিপিএ মার্কেটিং  মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন।

 

মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন না এরকম কাজ হল ওয়েব ডিজাইন ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ড্রপশিপিং এই কাজগুলো আপনার মোবাইল করা একটু কষ্টকর হবে।  তবে চেষ্টা করলে সব সম্ভব।

 

শেষ কথাঃ

 

কথা বলতে বলতে অনেক কথাই বলে ফেললাম। ভুলত্রুটি হতেই পারে।  ভুলত্রুটি লক্ষ করলে ক্ষমা করে দেবেন। আর  আপনি যেহেতু অনলাইন ইনকামের চিন্তাভাবনা নিয়ে আগাচ্ছেন।  আপনাকে আমি পরামর্শ দিব, একটু সতর্কতার সহিত সামনে আগাবেন। কারণ আপনি যখন ইউটিউব বা  গুগোলে অনলাইন ইনকাম করার উপায় খোঁজার জন্য চেষ্টা করবেন।

 

তখন অনেক অসাধু কোর্স  ব্যবসায়ী, অনেক অসাধু প্রতিষ্ঠান আছে যারা আপনাকে বলবে ভাই এই কোর্সটা করেন।  এ কোর্স করলে নিশ্চিত ইনকাম!  এই টিউটোরিয়ালটা কিনেন এটা কিনলে অনেক পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারেন।  আমার কাছে আসুন আমার এখানে ভর্তি হন।  পারেন এরকম হাবিজাবি বিজ্ঞাপন আপনার সামনে আসবে।  অনেক মানুষ আপনাকে প্রতারিত করার চেষ্টা করবে।  আমি অনেক প্রতারিত হয়েছি অনলাইন ইনকামের সিস্টেম জানার জন্য। অনেক কোর্স আছে  এই দেশে।  যার ৯০ পার্সেন্ট কাজ আপনি ইউটিউব গুগোল ফ্রী পাবেন আপনি একটু চেষ্টা করে দেখেন পাবেন ইনশাআল্লাহ।

আজ আর কথা বাড়াচ্ছি না,সামনে আবারো দেখা হবে ভিন্ন কনো টপিকে। ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।  edutunebd এর সাথেই থাকুন।

 

 

Tag : অনলাইন ইনকাম,  অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম,  অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম,  অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম,  অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম,  অনলাইন ইনকাম অনলাইন ইনকাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button